ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কোনো উপদেষ্টা যাতে অংশগ্রহণ করতে না পারে সেজন্য বিধান করার দাবি তুলেছে গণঅধিকার পরিষদ।
আজ বুধবার নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে দলটির সহ-সভাপতি ফারুক হাসান সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে বৈঠকে দলটির সাত সদস্যের প্রতিনিধি অংশ নেন। এ সময় তারা ৯টি দাবি তুলে ধরেন।
ফারুক হাসান বলেন, “আগামী নির্বাচনে উপদেষ্টা পরিষদের কেউ যেন ভোটে অংশ নিতে পারে সে বিধান করার জন্য আমরা বলেছি।”
নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া গণঅধিকার পরিষদের ৯ দফা প্রস্তাবগুলো হলো:
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোট প্রদান নিশ্চিত করা; রাজনৈতিক দল, প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি সংশ্লিষ্টদের রিটার্নিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার সহ নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে না রাখা; প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা করা এবং কেন্দ্রের বাইরে একটি জায়ান্ট স্ক্রিনে জনসাধারণের জন্য কেন্দ্রের ভেতরের ভোট কার্যক্রম ও ভোট গণনা পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা; রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে ব্যালট বাক্স উপজেলাতে পাঠানোর সময় এবং ভোট কেন্দ্র থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আসা পর্যন্ত সার্বক্ষনিক প্রার্থীদের এজেন্টদের সঙ্গে রাখা; ভোট কেন্দ্রে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা এবং কেন্দ্র দখল ও কালোভোটের অভিযোগ থাকলে ভোট গ্রহণ বন্ধ করা।
এছাড়াও, কোনো প্রার্থীর সমর্থকরা অন্য প্রার্থীর সমর্থকদের নির্বাচনী কাজে বাধা প্রদান, ভয়-ভীতি প্রদর্শন করলে তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা; বিগত তিনটি (২০১৪, ২০১৮, ২০২৪) নির্বাচনে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করেছে এমন কোন কর্মকর্তাকে নির্বাচনী দায়িত্ব প্রদান থেকে বিরত রাখ; বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কোন উপদেষ্টা আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না এমন বিধান যুক্ত করা; তফসিলের পর প্রশাসনকে ঢেলে সাজানো।
গত বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বিএনপির পক্ষ থেকে ৩৬টি প্রস্তাব দেওয়া হয় ইসিকে। আর গতকাল মঙ্গলবার ১৮টি প্রস্তাব দেয় জামায়াতে ইসলামী।