চরচা প্রতিবেদক

নব নির্বাচিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তখন মাত্রই নিজের আসনে বসেছেন। সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে কিছু বলার জন্য সামনে থাকা মাইক্রোফোন অন করতেই বিপত্তি। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অকার্যকর সেই মাইক্রোফান।
একটা কর্ডলেস মাইক্রোফোন এনে দেওয়া হলো তাকে। দুঃখপ্রকাশের পর হালকা রসিকতাও করলেন স্পিকার। বলেন, “১৭ বছর পর একটা কার্যকর সংসদ আমরা পেয়েছি। অনভ্যস্ত সংসদ গণতান্ত্রিক বক্তব্য শুনতে অভ্যস্ত নয়। সে জন্য একটু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে সবাইকে।”
স্পিকার নিজের আসনে বসে কর্ডলেস মাইক হাতে কথা বলছেন, এমন দৃশ্য বিরলই। আগের সংসদগুলোতে মাঝে মাঝে সাউন্ড সিস্টেমের সমস্যা হতে দেখা গেছে। তখনো কর্ডলেস মাইক দিয়ে সাময়িক কাজ চালাতে হয়েছে।
মাইক্রোফোনে যান্ত্রিক ত্রুটির সুযোগে স্পিকার সংসদ অধিবেশন জোহরের নামাজের জন্য ২০ মিনিটের বিরতি ঘোষণা করেন।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সংসদ কার্যক্রমে নিজের অভিজ্ঞতাকে ব্যবহার করেই শুরুতেই পরিস্থিতি সামলালেন তিনি। রসিকতার আড়ালে তিনি সর্বশেষ তিনটি সংসদের চিত্রটাই তুলে ধরতে চেয়েছেন।

নব নির্বাচিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তখন মাত্রই নিজের আসনে বসেছেন। সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে কিছু বলার জন্য সামনে থাকা মাইক্রোফোন অন করতেই বিপত্তি। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অকার্যকর সেই মাইক্রোফান।
একটা কর্ডলেস মাইক্রোফোন এনে দেওয়া হলো তাকে। দুঃখপ্রকাশের পর হালকা রসিকতাও করলেন স্পিকার। বলেন, “১৭ বছর পর একটা কার্যকর সংসদ আমরা পেয়েছি। অনভ্যস্ত সংসদ গণতান্ত্রিক বক্তব্য শুনতে অভ্যস্ত নয়। সে জন্য একটু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে সবাইকে।”
স্পিকার নিজের আসনে বসে কর্ডলেস মাইক হাতে কথা বলছেন, এমন দৃশ্য বিরলই। আগের সংসদগুলোতে মাঝে মাঝে সাউন্ড সিস্টেমের সমস্যা হতে দেখা গেছে। তখনো কর্ডলেস মাইক দিয়ে সাময়িক কাজ চালাতে হয়েছে।
মাইক্রোফোনে যান্ত্রিক ত্রুটির সুযোগে স্পিকার সংসদ অধিবেশন জোহরের নামাজের জন্য ২০ মিনিটের বিরতি ঘোষণা করেন।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সংসদ কার্যক্রমে নিজের অভিজ্ঞতাকে ব্যবহার করেই শুরুতেই পরিস্থিতি সামলালেন তিনি। রসিকতার আড়ালে তিনি সর্বশেষ তিনটি সংসদের চিত্রটাই তুলে ধরতে চেয়েছেন।

উদীচীর নেতারা আরও বলেন, জাতীয় সংগীতের সময় উঠে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি জানানো জাতীয় প্রতীকের প্রতি অবমাননাকর আচরণ। জাতীয় সংগীত শুধু একটি গান নয়, এটি মুক্তিযুদ্ধ, আত্মত্যাগ ও জাতিসত্তার প্রতীক। তাই এর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা সাংবিধানিকভাবেও বাধ্যতামূলক।