এক মাস ধরে চলা ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ নিরসনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। এরই ধারাবাহিকতায় আজ রোববার ইসলামাবাদে তুরস্ক, মিশর ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের নিয়ে একটি বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, যুদ্ধের কারণে ইরান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেলের দাম লাফিয়ে বাড়ছে। বৈঠকে এই রুটটি পুনরায় চালু করতে সুয়েজ খালের মতো ‘ফি কাঠামো’ প্রবর্তনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ইসলামাবাদের ওই বৈঠকে।
তুরস্ক, মিশর ও সৌদি আরব মিলে একটি কনসোর্টিয়াম গঠন করে এই জলপথ দিয়ে তেল সরবরাহ তদারকি করার প্রস্তাব দিয়েছে। পাকিস্তানকেও এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তুর্কি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, আঙ্কারার প্রধান লক্ষ্য হলো দ্রুত যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশহাক দার জানান, ইরান ইতোমধ্যে ২০টি পাকিস্তানি পতাকাবাহী জাহাজকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিতে রাজি হয়েছে।
গত এক মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে ভয়াবহ লড়াই চলছে। ইরান হুশিয়ারি দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো স্থল অভিযান শুরু করে তবে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। এই উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তান উভয় পক্ষের (তেহরান ও ওয়াশিংটন) সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে।
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন বলে জানা গেছে।