চরচা প্রতিবেদক

স্পিকারের চেয়ার ফাঁকা রেখেই শুরু হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় সংসদের বৈঠক শুরু হয়। স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার না থাকায় সেই ফাঁকা রেখেই সংসদের বৈঠক শুরু হয়।
সংসদের শুরুতে সংসদ সচিব কানিজ মওলা সবাইকে স্বাগত জানান। এরপর সচিব স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতির বিষয় সংসদে জানান।
কার্যপ্রণালি বিধির ১২ অনুযায়ী বিষয়টি তিনি সংসদকে জানান।
সংসদ সচিব এসময় ১৯৭২ সালে গণপরিষদের প্রথম বৈঠকে মওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশের সংসদের সভাপতিত্ব করার দৃষ্টান্ত তুলে ধরেন।
পরে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে সভাপতিত্ব করার জন্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন। তার সেই প্রস্তাব সমর্থন করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
নাম প্রস্তাবের আগে তারেক রহমান স্বাগত বক্তব্য দেন। বক্তব্যে তিনি, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি এসময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকেও স্মরণ করেন।
পরে জামায়াতের সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, তারাও খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম সমর্থন করেন। তিনি সংসদ নেতাকে উদ্দেশ করে বলেন, নাম প্রস্তাবের আগে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনার করলে ভালো হতো।

স্পিকারের চেয়ার ফাঁকা রেখেই শুরু হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় সংসদের বৈঠক শুরু হয়। স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার না থাকায় সেই ফাঁকা রেখেই সংসদের বৈঠক শুরু হয়।
সংসদের শুরুতে সংসদ সচিব কানিজ মওলা সবাইকে স্বাগত জানান। এরপর সচিব স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতির বিষয় সংসদে জানান।
কার্যপ্রণালি বিধির ১২ অনুযায়ী বিষয়টি তিনি সংসদকে জানান।
সংসদ সচিব এসময় ১৯৭২ সালে গণপরিষদের প্রথম বৈঠকে মওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশের সংসদের সভাপতিত্ব করার দৃষ্টান্ত তুলে ধরেন।
পরে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে সভাপতিত্ব করার জন্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন। তার সেই প্রস্তাব সমর্থন করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
নাম প্রস্তাবের আগে তারেক রহমান স্বাগত বক্তব্য দেন। বক্তব্যে তিনি, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি এসময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকেও স্মরণ করেন।
পরে জামায়াতের সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, তারাও খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম সমর্থন করেন। তিনি সংসদ নেতাকে উদ্দেশ করে বলেন, নাম প্রস্তাবের আগে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনার করলে ভালো হতো।

উদীচীর নেতারা আরও বলেন, জাতীয় সংগীতের সময় উঠে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি জানানো জাতীয় প্রতীকের প্রতি অবমাননাকর আচরণ। জাতীয় সংগীত শুধু একটি গান নয়, এটি মুক্তিযুদ্ধ, আত্মত্যাগ ও জাতিসত্তার প্রতীক। তাই এর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা সাংবিধানিকভাবেও বাধ্যতামূলক।